4 hours ago
আজও আমাদের সমাজে এমন কিছু প্রথা বিদ্যমান, যা সভ্যতা ও মানবিকতার পরিপন্থী। তার মধ্যে অন্যতম হলো dowry system paragraph। যৌতুক প্রথা মূলত বিয়েকে একটি পবিত্র সামাজিক বন্ধনের পরিবর্তে লেনদেনের সম্পর্কে পরিণত করেছে। বিয়ের সময় কনের পরিবারকে অর্থ, গয়না, গৃহস্থালি সামগ্রী বা অন্যান্য মূল্যবান জিনিস দিতে বাধ্য করা হয়, যা অনেক পরিবারের জন্য অসহনীয় বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। এই প্রথা শুধু অর্থনৈতিক চাপই সৃষ্টি করে না, বরং সমাজে বৈষম্য ও অবিচারের বীজও বপন করে।
যৌতুক প্রথার সবচেয়ে ভয়াবহ দিক হলো এর সামাজিক ও মানসিক প্রভাব। অনেক দরিদ্র পরিবার কন্যাসন্তানের বিয়ে দিতে গিয়ে ঋণের বোঝায় জর্জরিত হয়ে পড়ে। আবার অনেক ক্ষেত্রে যৌতুক কম হওয়ার অজুহাতে কনের ওপর নির্যাতন, অপমান এমনকি প্রাণনাশের ঘটনাও ঘটে। এতে নারীর নিরাপত্তা ও মর্যাদা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়। বিয়ের পরও যৌতুকের দাবি চলতে থাকলে দাম্পত্য জীবন বিষাক্ত হয়ে ওঠে, যার প্রভাব পড়ে পুরো পরিবারের ওপর।
এই প্রথা নারীর প্রতি বৈষম্যকে আরও শক্তিশালী করে। সমাজে কন্যাসন্তানকে অনেক সময় বোঝা হিসেবে দেখা হয়, কারণ ভবিষ্যতে তার বিয়েতে যৌতুক দিতে হবে—এই ভয় কাজ করে। এর ফলে শিক্ষায় অবহেলা, অল্প বয়সে বিয়ে এবং আত্মসম্মানবোধে ঘাটতি দেখা যায়। একটি সমাজ কখনোই উন্নত হতে পারে না, যদি তার অর্ধেক জনগোষ্ঠী অবমূল্যায়িত হয়।
যৌতুক প্রথার সবচেয়ে ভয়াবহ দিক হলো এর সামাজিক ও মানসিক প্রভাব। অনেক দরিদ্র পরিবার কন্যাসন্তানের বিয়ে দিতে গিয়ে ঋণের বোঝায় জর্জরিত হয়ে পড়ে। আবার অনেক ক্ষেত্রে যৌতুক কম হওয়ার অজুহাতে কনের ওপর নির্যাতন, অপমান এমনকি প্রাণনাশের ঘটনাও ঘটে। এতে নারীর নিরাপত্তা ও মর্যাদা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়। বিয়ের পরও যৌতুকের দাবি চলতে থাকলে দাম্পত্য জীবন বিষাক্ত হয়ে ওঠে, যার প্রভাব পড়ে পুরো পরিবারের ওপর।
এই প্রথা নারীর প্রতি বৈষম্যকে আরও শক্তিশালী করে। সমাজে কন্যাসন্তানকে অনেক সময় বোঝা হিসেবে দেখা হয়, কারণ ভবিষ্যতে তার বিয়েতে যৌতুক দিতে হবে—এই ভয় কাজ করে। এর ফলে শিক্ষায় অবহেলা, অল্প বয়সে বিয়ে এবং আত্মসম্মানবোধে ঘাটতি দেখা যায়। একটি সমাজ কখনোই উন্নত হতে পারে না, যদি তার অর্ধেক জনগোষ্ঠী অবমূল্যায়িত হয়।

