02-02-2026, 09:21 AM
একজন কন্যাসন্তানের জন্য নাম নির্বাচন করা ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। নাম শুধু পরিচয়ের মাধ্যম নয়, বরং তা শিশুর ব্যক্তিত্ব, মূল্যবোধ ও ভবিষ্যৎ জীবনের ওপর প্রভাব ফেলে বলে বিশ্বাস করা হয়। তাই অনেক অভিভাবকই নাম বাছাইয়ের সময় অর্থ, উৎস এবং ধর্মীয় গ্রহণযোগ্যতার দিকে বিশেষভাবে নজর দেন। এই আলোচনায় s diye meyeder islamic name নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হলো।
ইসলামে সুন্দর অর্থবোধক নাম রাখার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। হাদিসে উল্লেখ আছে, কিয়ামতের দিন মানুষকে তার নাম ও পিতার নাম ধরে ডাকা হবে। তাই এমন নাম নির্বাচন করা উচিত, যার অর্থ ইতিবাচক, শালীন এবং ইসলামের মূল শিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ‘S’ অক্ষর দিয়ে শুরু হওয়া অনেক ইসলামি মেয়েদের নাম রয়েছে, যেগুলো উচ্চারণে সুন্দর এবং অর্থের দিক থেকেও সমৃদ্ধ।
অনেক অভিভাবক মনে করেন, নামের অর্থ শিশুর চরিত্র গঠনে প্রভাব ফেলে। যেমন—যে নামের অর্থ পবিত্রতা, ধৈর্য বা সৌভাগ্য বোঝায়, তা শিশুর মনে সেই গুণাবলি চর্চার অনুপ্রেরণা জোগাতে পারে। এই কারণেই সাফা, সালমা, সুমাইয়া, সাদিয়া, সাফিয়া—এ ধরনের নামগুলো দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রিয়। এসব নাম আরবি বা ইসলামি ঐতিহ্য থেকে এসেছে এবং কুরআন ও ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় ধর্মীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য।
বর্তমান সময়ে নাম নির্বাচনের ক্ষেত্রে আরেকটি বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে—আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা। অনেক পরিবার এমন নাম খোঁজেন, যা ইসলামি পরিচয় বজায় রাখার পাশাপাশি আধুনিক সমাজ ও বৈশ্বিক পরিমণ্ডলেও সহজে মানানসই হয়।
ইসলামে সুন্দর অর্থবোধক নাম রাখার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। হাদিসে উল্লেখ আছে, কিয়ামতের দিন মানুষকে তার নাম ও পিতার নাম ধরে ডাকা হবে। তাই এমন নাম নির্বাচন করা উচিত, যার অর্থ ইতিবাচক, শালীন এবং ইসলামের মূল শিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ‘S’ অক্ষর দিয়ে শুরু হওয়া অনেক ইসলামি মেয়েদের নাম রয়েছে, যেগুলো উচ্চারণে সুন্দর এবং অর্থের দিক থেকেও সমৃদ্ধ।
অনেক অভিভাবক মনে করেন, নামের অর্থ শিশুর চরিত্র গঠনে প্রভাব ফেলে। যেমন—যে নামের অর্থ পবিত্রতা, ধৈর্য বা সৌভাগ্য বোঝায়, তা শিশুর মনে সেই গুণাবলি চর্চার অনুপ্রেরণা জোগাতে পারে। এই কারণেই সাফা, সালমা, সুমাইয়া, সাদিয়া, সাফিয়া—এ ধরনের নামগুলো দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রিয়। এসব নাম আরবি বা ইসলামি ঐতিহ্য থেকে এসেছে এবং কুরআন ও ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় ধর্মীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য।
বর্তমান সময়ে নাম নির্বাচনের ক্ষেত্রে আরেকটি বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে—আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা। অনেক পরিবার এমন নাম খোঁজেন, যা ইসলামি পরিচয় বজায় রাখার পাশাপাশি আধুনিক সমাজ ও বৈশ্বিক পরিমণ্ডলেও সহজে মানানসই হয়।

